মূল অংশে যান
Tame Academy

CGC-2018 এর ৯টি Condition, এক নজরে সারসংক্ষেপ (ইনফোগ্রাফিক সহ)

05 অক্টো 2026 তারিখে প্রকাশিত

CGC-2018 এর ৯টি Condition, এক নজরে সারসংক্ষেপ (ইনফোগ্রাফিক সহ)

আমাদের আগের লেখায় "গল্পে গল্পে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড-২০১৮" বইয়ের রিভিউ করেছিলাম, যেখানে পুরো কোডকে গল্পের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। অনেক পাঠক আমাদের জানিয়েছেন, তাদের দরকার একটি দ্রুত রেফারেন্স, যেখানে নয়টি কন্ডিশনের মূল কথা এক জায়গায় পাওয়া যায়, বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না গিয়ে। এই লেখাটি ঠিক সেই প্রয়োজন মেটানোর জন্য, একটি ইনফোগ্রাফিক-স্টাইল সারসংক্ষেপ যা বইয়ের পাশে রেখে বা বোর্ড মিটিংয়ের আগে দ্রুত দেখে নেওয়া যায়।

বিজ্ঞাপনের জায়গা (সংরক্ষিত)

কেন একটি সারসংক্ষেপ দরকার

বিএসইসি কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড-২০১৮ এর পুরো নথিটি দীর্ঘ এবং প্রতিটি কন্ডিশনের ভেতরে একাধিক উপধারা আছে। একজন নতুন বোর্ড সদস্য বা কোম্পানি সচিবের জন্য প্রতিদিন মূল নথি খুলে দেখা বাস্তবসম্মত নয়। তাই একটি সংক্ষিপ্ত মানচিত্র দরকার, যা মূল কাঠামো মনে করিয়ে দেয়, বিস্তারিত জানার প্রয়োজন হলে তখন নির্দিষ্ট অংশে গিয়ে গভীরে পড়া যায়।

নয়টি কন্ডিশনের প্রবাহ, এক নজরে

CGC-2018 এর নয়টি কন্ডিশনের ক্রম
১. বোর্ড অফ ডিরেক্টরস ১. বোর্ড অফ ডিরেক্টরস ২. সাবসিডিয়ারির বোর্ড গভর্নেন্স ২. সাবসিডিয়ারির বোর্ড গভর্নেন্স ৩. এমডি-সিএস-সিএফও-হেড অব ইন্টারনাল অডিট ৩. এমডি-সিএস-সিএফও-হেড অব ইন্টারনাল অডিট ৪. বোর্ডের দায়িত্ব ঘোষণা ৪. বোর্ডের দায়িত্ব ঘোষণা ৫. অডিট কমিটি ৫. অডিট কমিটি ৬. নমিনেশন ও রেমুনারেশন কমিটি (NRC) ৬. নমিনেশন ও রেমুনারেশন কমিটি (NRC) ৭. বহিরাগত নিরীক্ষক ৭. বহিরাগত নিরীক্ষক ৮. কোম্পানির ওয়েবসাইট ৮. কোম্পানির ওয়েবসাইট ৯. কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিং ৯. কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিং
বিষয় ধাপ
১. বোর্ড অফ ডিরেক্টরস ১
২. সাবসিডিয়ারির বোর্ড গভর্নেন্স ২
৩. এমডি-সিএস-সিএফও-হেড অব ইন্টারনাল অডিট ৩
৪. বোর্ডের দায়িত্ব ঘোষণা ৪
৫. অডিট কমিটি ৫
৬. নমিনেশন ও রেমুনারেশন কমিটি (NRC) ৬
৭. বহিরাগত নিরীক্ষক ৭
৮. কোম্পানির ওয়েবসাইট ৮
৯. কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিং ৯

উপরের প্রবাহচিত্রটি দেখায়, কোডটি মূলত একটি যুক্তিসঙ্গত ক্রমে সাজানো। প্রথমে বোর্ডের গঠন ঠিক করা হয়, তারপর শীর্ষ ব্যবস্থাপনার পদগুলো আলাদা করা হয়, তারপর বোর্ডের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি (অডিট কমিটি এবং এনআরসি) গঠন করা হয়, এবং সবশেষে বহিরাগত যাচাই, স্বচ্ছতা ও রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে পুরো কাঠামো সম্পূর্ণ হয়।

কন্ডিশন ১, বোর্ড অফ ডিরেক্টরস

এই কন্ডিশন বোর্ডের আকার, স্বাধীন পরিচালকের অনুপাত, চেয়ারম্যান ও এমডি পদ আলাদা রাখা এবং পরিচালকদের প্রতিবেদনে কী কী তথ্য প্রকাশ করতে হবে তা নির্ধারণ করে।

“তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোর্ডে সদস্য সংখ্যা ৫ জনের কম বা ২০ জনের বেশি হতে পারবে না।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 1(1)

“বোর্ডের অন্তত এক-পঞ্চমাংশ (১/৫) সদস্য স্বাধীন পরিচালক হতে হবে, এবং কোনো ভগ্নাংশ এলে তা পরবর্তী পূর্ণসংখ্যায় উন্নীত করতে হবে।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 1(2)

কন্ডিশন ২ থেকে ৪, সাবসিডিয়ারি, শীর্ষ পদ এবং ঘোষণা

কন্ডিশন ২ হোল্ডিং কোম্পানির বোর্ড কীভাবে সাবসিডিয়ারি কোম্পানির গভর্নেন্স নিয়ন্ত্রণ করবে তা নির্ধারণ করে। কন্ডিশন ৩ অনুযায়ী এমডি বা সিইও, কোম্পানি সচিব, সিএফও এবং হেড অব ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স, এই চারটি পদে চারজন আলাদা ব্যক্তি থাকতে হবে।

  • কন্ডিশন ২। সাবসিডিয়ারির বোর্ডে হোল্ডিং কোম্পানির একজন স্বাধীন পরিচালক থাকা এবং সাবসিডিয়ারির আর্থিক প্রতিবেদন হোল্ডিং কোম্পানির অডিট কমিটির পর্যালোচনায় আসা।
  • কন্ডিশন ৩। চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদের স্পষ্ট বিভাজন, যাতে কোনো একক ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা জমা না হয়।
  • কন্ডিশন ৪। এমডি ও সিএফওর একটি লিখিত ঘোষণাপত্র, যেখানে তারা আর্থিক প্রতিবেদনের সঠিকতা নিশ্চিত করেন।

“এমডি বা সিইও, কোম্পানি সেক্রেটারি, সিএফও এবং হেড অব ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স, এই চারটি পদ চারজন আলাদা ব্যক্তিকে দিতে হবে।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 3(1)(b)

গল্পে বলি

একটি মাঝারি আকারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে এমডি নিজেই কোম্পানি সচিবের দায়িত্বও সামলাতেন, কারণ খরচ কমাতে আলাদা একজন নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বার্ষিক কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট যাচাইয়ের সময় স্বতন্ত্র সেক্রেটারি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং কোম্পানিকে এক্সপ্লেইন কলামে কারণ লিখতে হয়। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রশ্ন আসার পর কোম্পানিটি দ্রুত একজন স্বতন্ত্র কোম্পানি সচিব নিয়োগ দেয়, এবং পরের বছরের প্রতিবেদনে এই অপরিপালনের ঘরটি খালি হয়ে যায়।

কন্ডিশন ৫ ও ৬, অডিট কমিটি এবং এনআরসি

কন্ডিশন ৫ অডিট কমিটির গঠন, সভার সংখ্যা এবং এস্কেলেশন পথ নির্ধারণ করে, আর কন্ডিশন ৬ নমিনেশন ও রেমুনারেশন কমিটির (এনআরসি) ভূমিকা নির্ধারণ করে, যারা পরিচালক ও শীর্ষ নির্বাহী নিয়োগ এবং পারিশ্রমিক নীতিতে সুপারিশ দেয়।

“অডিট কমিটিকে বছরে অন্তত চারটি সভা করতে হয়, এবং সভার কোরাম পূর্ণ হতে হয় কমপক্ষে দুইজন সদস্য বা মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে, এই দুটির মধ্যে যেটি সংখ্যায় বেশি, এবং অবশ্যই একজন স্বাধীন পরিচালককে উপস্থিত থাকতে হবে।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 5(4)

“যদি অডিট কমিটির উত্থাপিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোর্ডকে তিনবার অবগত করার পরও অযৌক্তিকভাবে অগ্রাহ্য করা হয়, অথবা প্রথম রিপোর্টের ছয় মাস পার হয়ে যায়, তাহলে অডিট কমিটি তা সরাসরি কমিশনের (বিএসইসি) কাছে রিপোর্ট করতে বাধ্য।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 5(6)(a)(ii)

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, অডিট কমিটি আর এনআরসি এর কাজ কীভাবে আলাদা?

সহজ করে বললে, অডিট কমিটি আর্থিক প্রতিবেদনের সঠিকতা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ তদারকি করে, আর এনআরসি দেখে কাকে পরিচালক বা শীর্ষ নির্বাহী নিয়োগ দেওয়া হবে এবং তাদের পারিশ্রমিক কেমন হবে। একটি অর্থের বিশ্বাসযোগ্যতা দেখে, অন্যটি মানুষ নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা দেখে।

কন্ডিশন ৭ থেকে ৯, নিরীক্ষক, ওয়েবসাইট এবং রিপোর্টিং

কন্ডিশন ৭ বহিরাগত নিরীক্ষকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে, যেমন নিরীক্ষক একই সাথে নির্দিষ্ট ধরনের পরামর্শমূলক সেবা দিতে পারবেন না, যাতে স্বার্থের সংঘাত না তৈরি হয়। কন্ডিশন ৮ অনুযায়ী প্রতিটি তালিকাভুক্ত কোম্পানির একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকতে হবে, যেখানে আর্থিক তথ্য ও গভর্নেন্স সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশিত থাকবে। কন্ডিশন ৯ অনুযায়ী প্রতিটি কোম্পানিকে বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে, যা একজন স্বতন্ত্র পেশাদার দ্বারা সত্যায়িত।

“প্রতি বছর একজন স্বতন্ত্র পেশাদার হিসাবরক্ষক বা সনদধারী সেক্রেটারির কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট নিতে হয়, যেখানে বলা থাকে কোম্পানি কোডের কোন কোন শর্ত পরিপালন করেছে।”

— BSEC Corporate Governance Code, 2018, Condition No. 9

এক নজরে টেবিল, নয়টি কন্ডিশনের সারাংশ

কন্ডিশনমূল বিষয়সংক্ষেপে কী বলে
১বোর্ড অফ ডিরেক্টরসআকার ৫-২০, এক-পঞ্চমাংশ স্বাধীন পরিচালক, চেয়ারম্যান-এমডি পদ আলাদা
২সাবসিডিয়ারির বোর্ড গভর্নেন্সহোল্ডিং কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ ও অডিট কমিটির তদারকি
৩এমডি-সিএস-সিএফও-হেড অব ইন্টারনাল অডিটচারটি পদ চারজন আলাদা ব্যক্তিকে দিতে হবে
৪বোর্ডের দায়িত্ব ঘোষণাএমডি ও সিএফওর লিখিত ঘোষণাপত্র
৫অডিট কমিটিবছরে অন্তত চারটি সভা, এস্কেলেশন পথ বিএসইসি পর্যন্ত
৬নমিনেশন ও রেমুনারেশন কমিটিনিয়োগ ও পারিশ্রমিক নীতিতে সুপারিশ
৭বহিরাগত নিরীক্ষকস্বাধীনতা রক্ষা, নির্দিষ্ট পরামর্শমূলক সেবায় নিষেধাজ্ঞা
৮কোম্পানির ওয়েবসাইটআর্থিক ও গভর্নেন্স তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক
৯কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিংবার্ষিক সত্যায়িত কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট
বিজ্ঞাপনের জায়গা (সংরক্ষিত)

কোম্পানিগুলো সাধারণত যেসব ভুল করে

  1. 1

    শুধু কন্ডিশন ১ এর দিকে নজর দেওয়া, বাকিগুলো উপেক্ষা করা

    বোর্ড গঠন গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অডিট কমিটি, এনআরসি এবং রিপোর্টিং শর্ত উপেক্ষা করলে পুরো কাঠামো দুর্বল থেকে যায়।

  2. 2

    এক্সপ্লেইন কলামে ভাসাভাসা কারণ লেখা

    কোনো শর্ত না মানার কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করলে নিয়ন্ত্রক ও বিনিয়োগকারীদের কাছে তা সন্দেহজনক মনে হতে পারে।

  3. 3

    ওয়েবসাইট আপডেট না রাখা

    কন্ডিশন ৮ অনুযায়ী ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক হলেও অনেক কোম্পানি পুরনো তথ্য রেখে দেয়, যা একটি সাধারণ কিন্তু এড়ানো সম্ভব ভুল।

কেস স্টাডি

একাধিক কন্ডিশন একসাথে অপরিপালনের দৃষ্টান্তমূলক দৃশ্যকল্প

প্রেক্ষাপট: একটি দৃষ্টান্তমূলক কাল্পনিক দৃশ্যকল্প, যেখানে একটি কোম্পানি অডিট কমিটি ও এনআরসি দুটোই কাগজে গঠন করেছিল কিন্তু বছরে একবারের বেশি সভা করত না।

সমস্যা: স্বতন্ত্র সত্যায়নের সময় উভয় কমিটির অপ্রতুল সভা এবং এনআরসির সুপারিশ ছাড়াই একজন পরিচালক নিয়োগের বিষয় একসাথে ধরা পড়ে, যা বার্ষিক প্রতিবেদনে একাধিক এক্সপ্লেইন এন্ট্রি তৈরি করে।

সমাধান: কোম্পানিটি দুটি কমিটির জন্য ত্রৈমাসিক সভা বাধ্যতামূলক করে এবং ভবিষ্যতের সব নিয়োগ এনআরসির আনুষ্ঠানিক সুপারিশ সাপেক্ষে করার নিয়ম চালু করে।

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, এই নয়টি কন্ডিশনের মধ্যে কোনটি আপনার প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি দুর্বল হতে পারে?

নিজের বোর্ড কাঠামো, কমিটি গঠন এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া এই টেবিলের সাথে তুলনা করলে দ্রুত একটি প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়, কোথায় আরও কাজ করা প্রয়োজন।

উপসংহার, এই সারসংক্ষেপ কীভাবে ব্যবহার করবেন

এই সারসংক্ষেপটি মূল কোড বা গল্পে গল্পে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড-২০১৮ বইয়ের বিকল্প নয়, বরং একটি দ্রুত রেফারেন্স টুল। বোর্ড মিটিংয়ের আগে, নতুন পরিচালক অরিয়েন্টেশনের সময়, বা বার্ষিক কমপ্লায়েন্স চেকলিস্ট তৈরির আগে এই পৃষ্ঠাটি আবার দেখে নিতে পারেন। পুরো গভর্নেন্স বিভাগের বাকি লেখাগুলো পাবেন আমাদের গভর্নেন্স বিভাগে।

প্রশ্নোত্তর

নয়টি কন্ডিশনের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘিত হয়?

বাস্তবে অডিট কমিটির অপ্রতুল সভা এবং স্বাধীন পরিচালকের প্রকৃত সম্পৃক্তির অভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

একটি কোম্পানি কি সব কন্ডিশন একসাথে পরিপালন করতে বাধ্য?

কমপ্লাই অর এক্সপ্লেইন নীতির আওতায় প্রতিটি শর্ত পরিপালন করতে উৎসাহিত করা হয়, না পারলে কারণ ব্যাখ্যা করতে হয়।

কন্ডিশন ৮ অনুযায়ী ওয়েবসাইটে কী কী থাকতে হয়?

আর্থিক প্রতিবেদন, গভর্নেন্স সংক্রান্ত নীতি এবং কোম্পানির মৌলিক তথ্য প্রকাশিত থাকতে হয়, যা বিনিয়োগকারীরা সহজে খুঁজে পেতে পারেন।

অডিট কমিটি আর এনআরসি এর সদস্য কি একই হতে পারেন?

কিছু সদস্য উভয় কমিটিতে থাকতে পারেন, কিন্তু প্রতিটি কমিটির নিজস্ব গঠন ও সভার শর্ত পূরণ করতে হয়।

কন্ডিশন ৭ অনুযায়ী নিরীক্ষক কী করতে পারবেন না?

নিরীক্ষক একই সময়ে নির্দিষ্ট ধরনের পরামর্শমূলক সেবা দিতে পারবেন না, যাতে নিরীক্ষার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন না হয়।

এই সারসংক্ষেপ কি মূল কোডের বিকল্প হতে পারে?

না, এটি একটি দ্রুত রেফারেন্স মাত্র, আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য মূল বিএসইসি প্রজ্ঞাপন দেখা জরুরি।

নতুন বোর্ড সদস্যের জন্য কোন কন্ডিশনগুলো প্রথমে বোঝা জরুরি?

কন্ডিশন ১ (বোর্ড গঠন) এবং কন্ডিশন ৫ (অডিট কমিটি) প্রথমে বোঝা সবচেয়ে বেশি কার্যকর, কারণ এগুলো দৈনন্দিন বোর্ড কাজের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট কে সত্যায়ন করেন?

একজন স্বতন্ত্র পেশাদার হিসাবরক্ষক বা সনদধারী সেক্রেটারি প্রতি বছর এই রিপোর্ট সত্যায়ন করেন।

মূল বিষয়সমূহ

  • ●CGC-2018 এর নয়টি কন্ডিশন বোর্ড গঠন থেকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিং পর্যন্ত একটি যুক্তিসঙ্গত ক্রমে সাজানো।
  • ●কন্ডিশন ১ বোর্ডের আকার ও স্বাধীন পরিচালকের অনুপাত নির্ধারণ করে, কন্ডিশন ৩ চারটি শীর্ষ পদ আলাদা রাখতে বলে।
  • ●কন্ডিশন ৫ ও ৬ বোর্ডের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি, অডিট কমিটি ও এনআরসি, গঠন করে।
  • ●কন্ডিশন ৭ থেকে ৯ বহিরাগত যাচাই, স্বচ্ছতা এবং বার্ষিক রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে কাঠামো সম্পূর্ণ করে।
  • ●অডিট কমিটির অপ্রতুল সভা এবং নিষ্ক্রিয় কমিটি গঠন সবচেয়ে সাধারণ অপরিপালনের ক্ষেত্র।
  • ●এই সারসংক্ষেপ মূল কোডের বিকল্প নয়, বরং একটি দ্রুত রেফারেন্স টুল।
শেয়ার করুন: